নিপাহ ভাইরাস, নয়া আতঙ্ক

কেরালায় অজানা রোগের দাপটে প্রথম সাজন এবং পরে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে, তখনই চিকিতসকরা এই নিপাহ ভাইরাসকে আবিষ্কার করে। যদিও এটি নতুন নয়, বয়স প্রায় কুড়ি বছর। কেরালার পরে এরাজ্যেও মারন থাবা বসিয়েছে নিপাহ ভাইরাস,এমনটাই খবর মিলেছে। তবে সবারই জিজ্ঞাস্য এই  নিপাহ ভাইরাস টা কি। আসুন দেখে নেওয়া যাক খুঁটিনাটি।

Image Source

পর্ব এক-

1998 সালে প্রথম মালয়েশিয়াতে বাদুড়ের শরীরে এই নিপাহ ভাইরাসের অস্তিত্ব লক্ষ্য করা গিয়েছিল। তারপর এরাজ্যে 2001 সালে নিপাহ ভাইরাস আবির্ভূত হয় শিলিগুড়িতে। ছেষট্টি জন আক্রান্ত হলে পঁয়তাল্লিশ জনের মৃত্যু হয়।

পর্ব দুই-

2007 সালে নদীয়াতেও নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হন পাঁচজন। কিন্তু বেঁচে ফেরেননি একজনও।

পর্ব তিন-

সোমবার কেরালায় ফেরও এই নিপাহ থাবা বসা। মারা যায় দশ জন মানুষ।

কিভাবে ছড়া নিপা ভাইরাস-

বায়ুবাহিত এই ভাইরাসটি নানাভাবে ছড়াতে পারে-

. কোনও নিপাহ ভাইরাস আক্রান্ত মানুষের দ্বারা।

. আক্রান্ত পাখির খাওয়া ফল খেলে।

. আক্রান্ত পশুর সংস্পর্শে এলে।

নিরাময়ের উপায়-

কোনও প্রতিষেধক এখনও অবধি আবিষ্কৃত হয়নি।

সাবধানতা-

. গাছের কোনও ফল পেরে না খাওয়া।

. কোনও মানুষের মল- বা মূত্র না ডিঙিয়ে যাওয়া।

. শূকর জাতীয় পশুর থেকে দূরে থাকতে হবে।

. জ্বরে আক্রান্ত হলে তাঁকে আলাদা ঘরে রাখতে হবে।

এই প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে পোস্টটি লাইক ও শেয়ার করুন। যে কোনো প্রয়োজনে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আরো পোস্ট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ পশ্চিমবঙ্গ 24×7

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Inline
Inline