মুরগী আগে না ডিম আগে? তা দেখে নিন

মুরগী আগে না ডিম আগে? এই নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। ছেলেবেলাতেও এই  প্রশ্নের জবাব কি হয় তা নিয়ে বড়রা প্রশ্ন করে আমাদেরই মুরগী বানিয়ে দিতেন। তবে সকলেরই একটা উত্তর ডিম আগে। যুক্তি হিসেবে বলা হত ডিম না হলে মুরগী হবে কি করে,,,,আর যদি বলা হতো ডিম এল কোথ্থেকে,,তখনই একটু মাথা চুলকানো ছাড়া উপায় ছিল না।

image source

তবে এই বিতর্কের যবনিকা টানলেন স্বয়ং বিজ্ঞানী মহল। কারণ তাঁরা জানিয়েছেন মুরগীই আগে। তবে কি কারণ সেটা দেখে নিন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন একমাত্র মুরগীর ভিতরেই ডিম থাকে। সেখানে ওভোক্লেডিডিন-17 নামে একটি প্রোটিন আছে যা খোসা তৈরিতে সাহায্য করে। নতুন মুরগী জন্ম নিতে এই খোসার গুরুত্ব অনেকে। তবে খোসা তৈরিরও ইতিহাস রয়েছে।

image source

ডিমের খোসা কিভাবে হয়?

ওডি-17 প্রোটিন ক্যালসিয়াম ক্যালসাইটকে ক্রিস্টালে পরিনত করে বলেই ডিমের খোসা শক্ত হয়। সমস্ত প্রানীর দেহে ক্রিস্টাল থাকলেও মুরগীর শরীরে প্রতি চব্বিশ ঘন্টায় ছয় গ্রাম করে ক্রিস্টাল তৈরি হয়। ফলে  খোসা তৈরিতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। এবং সেখান থেকেই নতুন মুরগী জন্ম নিতে পারে। অন্যদিকে, হাঁসও যেহেতু ডিম ফুটে জন্ম নেয়, সেক্ষেত্রে হাঁসের বাচ্চা আগে না হাঁস আগে…..এই যুক্তিরও জবাব তাহলে মিলবে এই ভাবেই। তবে হাঁস যেহেতু জলচর প্রানী সেক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক যুক্তি একটু হলেও আলাদা তো হবেই।

image source

যাইহোক, প্রথমে বিজ্ঞানীরা মনে করেছিলেন ডিমই আগে। কিন্তু অনেক পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে প্রমানিত হল যে মুরগীই আগে। তাই  বিজ্ঞানীরাই ঘোষনা করলেন ডিম-মুরগীর যুদ্ধে জয়ী মুরগীই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Inline
Inline