গাঁয়ের মেয়ে এখন গুগলের সলিউশন ইঞ্জিনিয়ার

কথাতেই আছে ভাগ্যের লিখন খন্ডাবে কে,, ভাগ্যে থাকলে রাতারাতিই বড়লোক হওয়া যায়।  তেমনি ভাগ্যের ফেরেই একটি ছোট্ট গ্রাম থেকে অ্যারিস্ট্রোকেট টাকিও মেলে।  তারই প্রমান দিল বিহারের মধুমিতা শর্মা। একটি ছোট্ট গ্রাম থেকে আজ সে সূদূর সুইতজারল্যান্ডে পাড়ি দিয়েছেন গুগলের সলিউশন ম্যানেজার হয়।  মাসটি গেলে বেতন পাবেন নয় লক্ষ টাকা।  শুনলেই চমকে ওঠার মতো।

বিহারের খগোল গ্রামের মধুমিতা শর্মা।  নিজের ইচ্ছাতেই ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি হয়েছিলেন।  বাবা সুরেন্দ্র শর্মার এ বিষয়ে একদম মত ছিল না।  কিন্তু নিজের চেষ্টাতেই আজ সে বছরে কোটি টাকার ওপরে মাহিনা পাবেন।  তাই গ্রামে এখন সাজসাজ রব।  প্রতিদিনই  তাঁর বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন অনেক লোকজন।  তাদেরকে মিস্টিমুখ করিয়ে তবেই ছাড়ছেন বাবা সুরেন্দ্র।

মেয়েকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াতে চাননি বলে এখন আক্ষেপ করছেন।  বলেছেন- সত্যিই যদি ওকে না পড়তে দিতাম তাহলে হয়তো খুবই ভুল হতো। একই সঙ্গে মেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে 86 শতাংশ নম্বর পেয়েছিল বলে ভালো কলেজে সুযোগ পাবেনা এই ভেবে দুঃখিতও হয়েছিলেন আরপিএফ ডিএসপি। কিন্তু এই নম্বর পেয়েও যে ভোল জায়গায় পৌঁছানো যায় তার প্রমান দিল মধুমিতা। মেয়ের এই  চেষ্টা ও সাফল্যে যথেষ্ট গর্বিত তিনি।

উচ্চমাধ্যমিক পাশের পর জয়পুর টেকনোলজিতে বিটেক পাশ করেই বিদেশে যাওয়ার সুযোগ মিলল   তাঁর কাছে।

মধুমিতার কঠোর পরিশ্রমকে স্যলুট না জানিয়ে উপায় নেই। সত্যিই প্রমান করেছে নিজের চেষ্টা আর অদম্য ইচ্ছাই বিদেশ থেকে গোটা বিশ্বে পাড়ি দেওয়ার সুযোগ করে দেয়। গ্রামের মানুষ বলে অজ্ঞ নয় সেটাও প্রমান করেছে।

এই প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে পোস্টটি লাইক ও শেয়ার করুন। যে কোনো প্রয়োজনে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আরো পোস্ট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ পশ্চিমবঙ্গ 24×7

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Inline
Inline